ম্যাকাইয়ে সিরিজের প্রথম টেস্টের শুরুতেই মিচেল স্টার্কের বোলিং তাণ্ডবে মাত্র ৬৪ রানে অলআউট হয়ে গেছে বাংলাদেশ। মাত্র ২২ বলের ব্যবধানে ৫ উইকেট তুলে নিয়ে সফরকারী ব্যাটিং লাইনআপকে গোড়াতেই ধসিয়ে দেন এই অজি পেসার। একপর্যায়ে মনে হচ্ছিল টেস্ট ইতিহাসে বাংলাদেশের সর্বনিম্ন রানের (৪৩ রান) লজ্জা বুঝি আবার ফিরছে, তবে শেষ উইকেট জুটির লড়াইয়ে শেষ রক্ষা হয়।

টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুর ধাক্কাই সামলে উঠতে পারেনি বাংলাদেশ। ম্যাচের প্রথম বলেই সাদমান ইসলামকে ফিরিয়ে উইকেটের খাতা খোলেন স্টার্ক। এরপর কোনো রান না দিয়েই সাজঘরে ফেরেন তানজিদ হাসান তামিম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। একে একে মুমিনুল হক ও লিটন দাসকেও শিকার বানান স্টার্ক। মাত্র ৬.৪ ওভারে ১২ রান তুলতে গিয়েই ৫ উইকেট হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে বাংলাদেশ।
মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে যাওয়ার সময় বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়িয়েছিল ৩৫/৬, যেখানে প্রথম চার ব্যাটারই ফেরেন শূন্য রানে। বিরতির পর ফিরে মেহেদী মিরাজ (১১) প্যাভিলিয়নে ফিরলে ৩৯ রানেই ৯ উইকেট হারিয়ে ফেলে বাংলাদেশ। ফলে হাতছানি দিচ্ছিল টেস্টে নিজেদের সর্বনিম্ন ৪৩ ও দেশের বাইরে অন্যান্য নিম্ন রানের লজ্জার রেকর্ডগুলো।
তবে শেষ উইকেটে শরিফুল ইসলাম ও তাইজুল ইসলামের ২৫ রানের জুটি অন্তত দলীয় রানকে ৫০ পার করায়। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ১৪ রান আসে ১০ নম্বরে নামা শরিফুলের ব্যাট থেকেই, আর তাইজুল অপরাজিত থাকেন ১১ রানে। ৩৪ ওভারের শেষ বলে শরিফুলকে আউট করে নিজের ৬ষ্ঠ উইকেট তুলে নেন স্টার্ক।

অস্ট্রেলিয়ার পক্ষে মিচেল স্টার্ক মাত্র ১২ রান দিয়ে নেন ৬টি উইকেট। বাকি উইকেটগুলোর মধ্যে প্যাট কামিন্স ৩টি এবং জশ হ্যাজলউড ১টি উইকেট পান। প্রথম ইনিংসে এমন বিশাল বিপর্যয়ের পর ম্যাচে ফিরতে এখন অলৌকিক বোলিং পারফরম্যান্সের দিকেই তাকিয়ে থাকতে হবে টাইগারদের।
[ Peace News বাংলা ]

