ভারতে অবস্থানরত শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়া নিয়ে ঢাকায় তৈরি হওয়া রাজনৈতিক বাদানুবাদের মধ্যে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে নয়াদিল্লি। আগামী বুধবার (৫ আগস্ট) দিল্লিতে একটি বেসরকারি গণমাধ্যম আয়োজিত সম্মেলনে শেখ হাসিনার বক্তব্য দেওয়ার বিষয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল স্পষ্ট জানিয়েছেন, এটি সম্পূর্ণ একটি বেসরকারি উদ্যোগ এবং এর সঙ্গে ভারত সরকারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। ফলে সেখানে প্রকাশিত মতামতের দায় দিল্লি বহন করবে না।

এদিকে ৫৪টি যৌথ নদীর ইস্যু ও গঙ্গা চুক্তি নবায়ন নিয়ে তিনি জানান, বিষয়টি দুই দেশের বিদ্যমান টেকনিক্যাল ও যৌথ নদী কমিশনের কাঠামোর মাধ্যমেই এগোবে। পাশাপাশি ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়া বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারতে সফরের নিমন্ত্রণ বহাল থাকার পাশাপাশি বিমসটেকের চেয়ারম্যান হিসেবে ব্রিকস সম্মেলনের আউটরিচ সেশনে দিল্লি তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
অন্যদিকে, ঢাকার পক্ষে ভারতীয় হাইকমিশনারের মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক বক্তব্য থেকে বিরত রাখার দাবি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান সতর্ক করে দিয়েছেন যে, আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কোনো গণমাধ্যম যদি শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার বা সম্প্রচার করে, তবে সরকার তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
[ Peace News বাংলা ]
