নারায়ণগঞ্জের বন্দরে গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ একই পরিবারের তিনজনের মধ্যে আট বছরের শিশু মারুফ মারা গেছে। শনিবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বর্তমানে তার বাবা মাইদুল ইসলাম (২৮) ও মা বিউটি আক্তার আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আবাসিক চিকিৎসক ড. শাওন বিন রহমান জানান, শিশু মারুফের শরীরের ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তা ছাড়া তার বাবা মাইদুলের ৮৫ শতাংশ এবং মা বিউটির ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দুজনের অবস্থাই অত্যন্ত সংকটাপন্ন।
ঘটনার বিবরণ ও সম্ভাব্য কারণ:
গত শুক্রবার ভোরে বন্দরের ২৭ নম্বর ওয়ার্ডের কুড়িপাড়া চাপাতলী এলাকার একটি টিনশেড ভাড়া বাড়িতে এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পেশায় রাজমিস্ত্রি মাইদুল ইসলাম তাঁর স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে ওই বাড়িতে থাকতেন।
ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় সূত্রের খবর অনুযায়ী, রাতের বেলা জানালা বন্ধ থাকায় ঘরের ভেতরের গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে গ্যাস বের হয়ে কক্ষটিতে জমা হয়ে ছিল। ভোরে মাইদুল ইসলাম সিগারেট ধরাতে গেলে জমে থাকা গ্যাসের সংস্পর্শে এসে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে।
বিস্ফোরণের প্রচণ্ডতায় টিনশেড ঘরটির ছাদ ও দেয়ালের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ঘরের সিলিং ফ্যানের পাখা বেঁকে যায় এবং লেপ-তোশকসহ সমস্ত আসবাবপত্র পুড়ে যায়। শব্দ শুনে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে দগ্ধ অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকায় পাঠান।
[ Peace News বাংলা ]

