দেশের ৬৫,৫৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৬,২৩৫টিতেই প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। অর্ধেকেরও বেশি বিদ্যালয় স্থায়ী প্রধান শিক্ষক ছাড়া চলায় সহকারী শিক্ষকদের প্রশাসনিক ও আর্থিক কাজ সামলাতে হচ্ছে। এর পাশাপাশি সহস্রাধিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকেরও তীব্র সংকট রয়েছে; জামালপুর ও কুমিল্লার কিছু স্কুলে মাত্র ১ জন শিক্ষক দিয়েই চলছে পুরো পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম।

‘অ্যানুয়াল সেক্টর পারফরম্যান্স রিপোর্ট ২০২৪’ অনুযায়ী, দেশের ১২,৯৩৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাত্র চারজন বা তার কম শিক্ষক নিয়ে চলছে। ফলে বাধ্য হয়ে একই শিক্ষককে একাধিক ক্লাস নিতে হচ্ছে এবং পাঠদানের সময় ও মনোযোগ কমে গিয়ে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আইনি জটিলতা কেটে যাওয়ায় পিএসসির মাধ্যমে দ্রুতই শূন্য পদে নিয়োগ ও পদোন্নতি প্রক্রিয়া শুরু হবে। এ ছাড়া, নতুন নিয়োগ পাওয়া ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষে আগামী দুই থেকে আড়াই মাসের মধ্যে বিদ্যালয়গুলোতে যোগ দিলে এই সংকটের বড় অংশ কেটে যাবে।দেশের ৬৫,৫৬৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৩৬,২৩৫টিতেই প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। অর্ধেকেরও বেশি বিদ্যালয় স্থায়ী প্রধান শিক্ষক ছাড়া চলায় সহকারী শিক্ষকদের প্রশাসনিক ও আর্থিক কাজ সামলাতে হচ্ছে। এর পাশাপাশি সহস্রাধিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষকেরও তীব্র সংকট রয়েছে; জামালপুর ও কুমিল্লার কিছু স্কুলে মাত্র ১ জন শিক্ষক দিয়েই চলছে পুরো পাঠদান ও প্রশাসনিক কার্যক্রম।

‘অ্যানুয়াল সেক্টর পারফরম্যান্স রিপোর্ট ২০২৪’ অনুযায়ী, দেশের ১২,৯৩৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাত্র চারজন বা তার কম শিক্ষক নিয়ে চলছে। ফলে বাধ্য হয়ে একই শিক্ষককে একাধিক ক্লাস নিতে হচ্ছে এবং পাঠদানের সময় ও মনোযোগ কমে গিয়ে শিক্ষার মান ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আইনি জটিলতা কেটে যাওয়ায় পিএসসির মাধ্যমে দ্রুতই শূন্য পদে নিয়োগ ও পদোন্নতি প্রক্রিয়া শুরু হবে। এ ছাড়া, নতুন নিয়োগ পাওয়া ১৪ হাজার সহকারী শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও পুলিশ ভেরিফিকেশন শেষে আগামী দুই থেকে আড়াই মাসের মধ্যে বিদ্যালয়গুলোতে যোগ দিলে এই সংকটের বড় অংশ কেটে যাবে।

[ Peace News বাংলা ]

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version